Join Our Community Site

Electronic money exchangers rating
নেইমারে সওয়ার হয়ে শেষ আটে ব্রাজিল
মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার
ফাইনালে ব্রাজিল। গোল করে ও করিয়ে
ম্যাচের নায়ক নেইমার
নেইমারের কাছে এ ম্যাচে অনেক আশা ছিল।
সবার আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন এই
ফরোয়ার্ডই। নেইমার হতাশ করেননি, ড্রিবলিং
করেছেন, গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন,
ফাউলের শিকার হয়েছেন। কিন্তু ব্রাজিলের
জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনার কাজটাও করেছেন।
এনে দিয়েছেন মহামূল্যবান এক গোল,
করিয়েছেন আরেকটি। নেইমার আর
ফিরমিনোর গোলে ২-০-তে জিতে
মেক্সিকোকে আরেকটি শেষ ষোলোর পরাজয়
উপহার দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল
ব্রাজিল।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর নেইমারই প্রথম
গোলের খাতা খোলেন। ৫১ মিনিটে গোলমুখ
ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়া মুখে বল ঠেলে দেন
জালে। দ্বিতীয় গোলটাও প্রায় একই রকম। ৮৮
মিনিটে ফিরমিনোর ট্যাপ ইন। এবার বল
বাড়িয়েছেন নেইমার। তাতেই শেষ আট
নিশ্চিত ব্রাজিলের।
থিয়াগো সিলভা আগেই বলেছিলেন, আজ হবে
নেইমার-ঝলক। ক্লাবের দুই সতীর্থ কাভানি-
এমবাপ্পে যে লক্ষ্যমাত্রাটা বেশ উঁচুতে তুলে
দিয়েছেন জোড়া গোল করে। মেক্সিকোর
বিপক্ষে নেইমারও দুটি গোল পেতে পারতেন।
ম্যাচে ব্রাজিলের প্রথম ভালো সুযোগটি
পেয়েছেন নেইমারই। পঞ্চম মিনিটে হঠাৎ
করেই বদ্ধ দুয়ার খুলে দিল মেক্সিকোর রক্ষণ।
ওচোয়ার সামনে অবারিত ফাঁকা মাঠ পেয়ে
গেলেন নেইমার। এমন সুযোগ বুঝে বেশ জোরে
একটা শট নিয়েছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি
ফুটবলার।
জোরে নিতে গিয়েই হয়তো লক্ষ্যটা ঠিক
স্থির করতে পারেননি। সেটা একদম ওচোয়া
বরাবরই গেল। পুরো টুর্নামেন্টে অসাধারণ সব
সেভ করা ওচোয়া চোখ বন্ধ করেও সেই বল
গ্লাভসে পুরে নিতে পারতেন। ২৫তম মিনিটের
নেইমার বরং মুগ্ধ করেছেন বেশি। বাঁ প্রান্ত
দিয়ে দারুণ এক মায়াবী আঁকাবাঁকা দৌড়ে
মেক্সিকান রক্ষণে ত্রাস ছড়ালেন। একবার
ডানে তো একবার বাঁয়ে করে ফাঁক বের করে
নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে যে পাস
দিলেন, সেটা ওচোয়ার গ্লাভসের ছোঁয়া
নিয়ে নির্বিষ এক আক্রমণে রূপ নিল।
নেইমারের এই দুই সুযোগের আগে-পরে
মেক্সিকোই খেলল মাঠে। ব্রাজিলকে চাপে
রেখে একের পর এক আক্রমণ করেছে দলটি।
হিরভিং লোজানো, সালসেদো কিংবা
হেক্টর হেরেরারা ডি-বক্স পর্যন্ত দুর্দান্ত
খেলেও মূল কাজটা করতে পারছিলেন না।
কখনো বাজে শট খেলে কখনোবা সতীর্থদের
সঠিক সময়ে পাস না দিয়ে সুযোগ হাতছাড়া
করেছে মেক্সিকো।
নেইমারের ২৫ মিনিটের ওই দৌড়ের পরই
ব্রাজিল ফিরে পেয়েছে নিজেদের। নেইমার-
কুতিনহো-উইলিয়ানরা আক্রমণে মন দিলেন।
জেসুসও ইতস্তত ঘোরাঘুরি ছেড়ে আক্রমণের
বাকি তিনজনের সঙ্গে রসায়নটা বাড়িয়ে
নিলেন। ফলে মেক্সিকোর অর্ধেই বল থাকল
বেশি। আর এতক্ষণ আক্রমণ সহ্য করে যাওয়া
ব্রাজিল রক্ষণও হাঁফ ছাড়ল। কুতিনহো দারুণ সব
দৌড়ে সুযোগ সৃষ্টি করছিলেন কিন্তু
গিয়ের্মো ওচোয়া যে ব্রাজিলের জন্যই তাঁর
সেরা খেলা জমা রাখেন! প্রথমার্ধ তাই
গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হলো। রেফারি
গিয়ানলুক্কি রচ্চি ৪৫ মিনিটের চেয়ে এক
সেকেন্ডও বাড়তি সময় কাটাতে চাইলেন না
মাঠে!
ওচোয়ার সেরা খেলা দেখা গেছে
দ্বিতীয়ার্ধে। কখনো ফিলিপে কুতিনহো,
কখনো পাওলিনহো, কখনো উইলিয়ান, কখনোবা
নেইমার—সবাইকেই হতাশা উপহার দিয়েছেন
ওচোয়া। ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে প্রায়
একাই রুখে দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন।
৪ বছর পর আরেক ব্রাজিল ম্যাচেই
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মেক্সিকোর হয়ে এক
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড গড়ে
ফেললেন।
কিন্তু এসব রেকর্ড অর্থহীন হয়ে গেছে ৫১
মিনিটে। সেটা নেইমারের সুবাদেই। ডি-
বক্সের বাইরে বল পেয়ে দারুণ এক ব্যাক হিল
করলেন উইলিয়ানকে। উইলিয়ান যখন বল নিয়ে
বক্সের বাঁ প্রান্তে ঢুকে গেলেন, নেইমার
ততক্ষণে ডান প্রান্তে চলে গেছেন।
উইলিয়ানের বাড়িয়ে দেওয়া বল ওচোয়ার
গ্লাভসের সামনে দিয়ে চলে গেল। পা
বাড়ালেও নাগাল পেলেন না গ্যাব্রিয়েল
জেসুস। ভাগ্যিস, পাননি! নেইমার যে আগেই
চলে গেছেন জায়গামতো। অনুশীলনে ছক
কেটে রাখা এক সাজানো আক্রমণের মতোই
নেইমারের পা ছুঁয়ে বল চলে

এই পোষ্ট 14 days ago আগে করা হয়েছে
Vote : 12
like
unlike


Quick Reply & No Spam!
Name:

Text:

Color

You must Login Or Register to Comment
See More Comment
Site: <.>.>>..1
Today Pageview : 1231 | Total Pageview : 3270211
Home | Back | Disclaimer | Terms of Use | Contact us | Advertisement
© 2015 - 2018 TopTuneBD.Com BD


Hindi Song
WhatsApp status saver for photo or videos
Download the best Android apps on Uptodown
Download Android Game for Free
Vidmate  UC Browser  9Apps  more